1. admin@khoj24bd.com : admin :
  2. tishibly@gmail.com : gungun gungun : gungun gungun
  3. somankhan92@gmail.com : golam mohiuddin : golam mohiuddin
‘জনগণ থেকে যারা আউট হয়েছে, তারা ভারতবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে’ - https://khoj24bd.com
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
লিবিয়া নিয়ে মুক্তিপণ আদায়কারী নুর মোহাম্মদ গ্রেফতার! জনমনে স্বস্তি পরিবেশবিদ মতিন সৈকত এগ্রিকালচারাল ইম্পর্ট্যান্ট পারসন এআইপি সন্মাননা পেলেন। এটি তার পঞ্চম রাষ্ট্রীয় স্বকৃীতি তজুমদ্দিনে জমি দখলে বাঁধা দেওয়ায় বিধবা নারীসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত। হাসপাতালে ভর্তি।। দাউদকান্দিতে সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। দাউদকান্দিতে বৃদ্ধাকে হত্যা: ৩ ঘন্টার মধ্যে আসামীকে গ্রেপ্তার দাউদকান্দি পৌরসভার ৩৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা চান্দিনায় ডোবায় প্রাণ গেলো ইতালি প্রবাসী শিশুর উত্তরা প্রেসক্লাবের উন্নয়নের নামে আনা অনুদান সহ ছাদের রড চুরি! অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় অভিযোগ দাউদকান্দির বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া বাংলাদেশ বিশ্বকাপে সেমি বা ফাইনালে খেলার মত করে টিম তৈরী করে নাই

‘জনগণ থেকে যারা আউট হয়েছে, তারা ভারতবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে’

  • Update Time : বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০২৪
  • ১০ Time View

নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার এই মাসেও আমরা দেখছি আবারো পানি ঘোলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আজকে এই দেশ থেকে ইন্ডিয়া আউট, ভারত আউট কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক। যারা ভারতবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে, ইন্ডিয়া আউট বলছে- তারা আজকে বাংলাদেশের জনগণ থেকে আউট হয়েছে। তারা পাকিস্তানপন্থি এবং পাকিস্তানের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

বুধবার রাজধানীর বিআইডব্লিউটিএ ভবনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম এবং বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা। নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মো. শরীফ উদ্দিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভারত সরকার ও ভারতবাসী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরকে যেভাবে সহায়তা করেছে; আমরা যদি সেটা ভুলে যাই, তাহলে আমরা কী ধরনের মানুষ হলাম। এক কোটি মানুষ ভারতের শরণার্থী শিবিরে স্থান পেয়েছিল। তারা তাদের খাইয়েছে, পড়িয়েছে, শিক্ষা দিয়েছে, চিকিৎসা দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়েছে, অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছে। সম্মিলিত মিত্রবাহিনী হিসেবে তারা সরাসরি অপারেশনে গেছেন। ১৭ হাজার ভারতীয় সৈন্য এ মাটিতে ঘুমিয়ে আছে। হানাদার বাহিনীর হাত থেকে আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য তারা যে অবদান রেখেছে- এটা কি আমরা ভুলে যাব?

তিনি বলেন, ভারতবিরোধী স্লোগান মানেই তো সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি। এর মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা লুকিয়ে আছে। এ সাম্প্রদায়িকতার জন্য কিন্তু আমরা মুক্তিযুদ্ধ করিনি। এ সাম্প্রদায়িকতার জন্য ৩০ লাখ মানুষ জীবন দেয়নি। এ সাম্প্রদায়িকতার জন্য লাখ লাখ মা ও বোনের আত্মত্যাগ নেই। আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চাই। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে বর্তমান বাস্তবতা সেটি প্রমাণ করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করলে যে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় আজকে ২০২৪ সাল সেটি প্রমাণ করছে। ভারত আউট মানেই হলো সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠিকে আহ্বান জানানো। আমরা তো সেই জায়গায় ফিরে যেতে চাই না।

নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন। এই স্বাধীনতার জন্য অনেকেই সংগ্রাম করেছেন। কারো কথায় স্বাধীনতা আসেনি। এই বাংলার সম্পদ দিয়ে লন্ডন শহর তৈরি করা হয়েছে, এই বাংলার সম্পদ দিয়ে কলকাতা শহর তৈরি করা হয়েছে। এই বাংলার সম্পদ দিয়ে ইসলামাবাদ তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এই দেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। বঙ্গবন্ধু সেটা জানতেন এবং সেই পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন। আমাদের সম্পদ দিয়ে আমাদের অধিকার তিনি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। দেশের সম্পদ যারা লুণ্ঠন করেছিল, এই লুণ্ঠনকারীরা এদেশকে বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে দিতে চাইবে না। বঙ্গবন্ধু সেটি করেছিলেন। বাংলাদেশ কারো একার দেশ না। এই দেশ ১৬ কোটি মানুষের দেশ। বঙ্গবন্ধু এই দেশটিকে আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন। আমাদের দায়িত্ব হলো এই দেশটিকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করানো। আত্মসম্মান নিয়ে দাঁড় করানো।

তিনি বলেন, আজকে পদ্মা সেতু আমাদের একটি মর্যাদার জায়গা। দেশের বাইরে থেকে সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান যারা আসেন তারাই পদ্মা সেতু দেখতে চান। ভুটানের রাজা এসেছেন তিনি যাচ্ছেন পদ্মা সেতু দেখতে। শেখ হাসিনা কী উন্নয়ন করেছেন এটা সমগ্র পৃথিবী জানতে চায়। এটি আমাদের জন্য বড় একটি অহংকারের বিষয়। যে অহংকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে তৈরি হয়েছিল। আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের হিমালয়ের কাছে নিয়ে গেছেন- এটা আমাদের বড় প্রাপ্তি। এটাকে ধরে রাখা আমাদের বড় দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহিদ সদস্যদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 www.khoj24bd.com bangla News web portal.
Theme Customized By BreakingNews