1. admin@khoj24bd.com : admin :
  2. tishibly@gmail.com : gungun gungun : gungun gungun
  3. somankhan92@gmail.com : golam mohiuddin : golam mohiuddin
পড়া না পারায় শিশু শিক্ষার্থীদের রোদে দাঁড় করিয়ে নির্যাতন! - https://khoj24bd.com
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ১২:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
লিবিয়া নিয়ে মুক্তিপণ আদায়কারী নুর মোহাম্মদ গ্রেফতার! জনমনে স্বস্তি পরিবেশবিদ মতিন সৈকত এগ্রিকালচারাল ইম্পর্ট্যান্ট পারসন এআইপি সন্মাননা পেলেন। এটি তার পঞ্চম রাষ্ট্রীয় স্বকৃীতি তজুমদ্দিনে জমি দখলে বাঁধা দেওয়ায় বিধবা নারীসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত। হাসপাতালে ভর্তি।। দাউদকান্দিতে সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। দাউদকান্দিতে বৃদ্ধাকে হত্যা: ৩ ঘন্টার মধ্যে আসামীকে গ্রেপ্তার দাউদকান্দি পৌরসভার ৩৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা চান্দিনায় ডোবায় প্রাণ গেলো ইতালি প্রবাসী শিশুর উত্তরা প্রেসক্লাবের উন্নয়নের নামে আনা অনুদান সহ ছাদের রড চুরি! অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় অভিযোগ দাউদকান্দির বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া বাংলাদেশ বিশ্বকাপে সেমি বা ফাইনালে খেলার মত করে টিম তৈরী করে নাই

পড়া না পারায় শিশু শিক্ষার্থীদের রোদে দাঁড় করিয়ে নির্যাতন!

  • Update Time : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬ Time View

দৈনিক শিক্ষা নিউজ লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটের পাটগ্রামে পড়া না পারায় প্রায় ৩০ জন শিশু শিক্ষার্থীকে কান ধরিয়ে দীর্ঘ সময় রোদে দাঁড় করিয়ে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এর বিচার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে বলা হয়, গত বুধবার লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোহাগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্যাতনের ওই ঘটনা ঘটে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জান্নাতুন নাহার গত মঙ্গলবার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বইয়ের দুই পৃষ্ঠা পড়া মুখস্থ করে পরদিন আসতে বলেন। পরদিন প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী ওই পড়া মুখস্থ বলতে না পারলে তাদের বেত দিয়ে পিটুনির পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বাইরে প্রায় ৪০ মিনিট রোদে কান ধরে দাঁড় করে রাখেন শিক্ষক জান্নাতুন নাহার। বিদ্যালয় ছুটির পর শিক্ষার্থীরা বাড়িতে গিয়ে এ ঘটনা বাবা-মা ও অভিভাবকদের জানিয়ে বিদ্যালয়ের আর পড়তে যাবে না বলে জানায়। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের তৈরি হয়। গতকাল সকালে অভিভাবকদের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়। অভিযোগের অনুলিপি রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা উপপরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং পাটগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তরেও দেওয়া হয়।

সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন নাহার বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলামের স্ত্রী। নির্যাতনের শিকার হওয়ার বর্ণনা দিয়ে শিক্ষার্থী লাবণ্য আক্তার গনমাধ্যমকে বলে, ‘ক্লাসে আপা এসে পড়া চান। এতগুলো পড়া মুখস্থ দিতে পারিনি। এজন্য কান ধরে রোদে দাঁড় করে রাখেন। এছাড়া স্কেল দিয়ে আমাকে এবং বৈশাখী, সুমাইয়া, হাবিবা, মাইশা, হুসনুত ও সাইয়েদাকে মারধর করেছেন। এরকম করায় আজকে (গতকাল বৃহস্পতিবার) কেউ বিদ্যালয়ে যায়নি। দুজন গেছে, তারাও পরে ছুটি নিয়ে চলে আসে।’

ভুক্তভোগী আরেক শিশু শিক্ষার্থী মাইশা আক্তার। তার মা মুন্নি আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে গনমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়েটাকে (মাইশা) মারধর করে, কান ধরে রাখার কারণে সে রাতে ভাত খায়নি। আজ (বৃহস্পতিবার) স্কুলেও যায়নি।’

শিক্ষকের বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নুহ্ ইসলামের বাবা রুহুল আমিন। তিনি গনমাধ্যমকে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিশুদের সোহাগ দিয়ে পড়াতে, কিন্তু এটা না করে বাচ্চাদের তারা (শিক্ষকরা) শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন, খুব নাকি মারেন। এজন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তাছাড়া বিদ্যালয়ে কোনো বিষয়ে গেলে অভিভাবকদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন নাহার।’

অভিভাবকদের অভিযোগের বিষয়টি জানার পর গতকাল সোহাগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে পঞ্চম শ্রেণির কোনো ছাত্রছাত্রীকে পাওয়া যায়নি।

নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন নাহার বলেন, ‘একটা পড়া পাঁচ দিন থেকে বাচ্চাদের পড়াচ্ছি। প্রশ্ন দিয়েছি, পরপর পড়াচ্ছি, কিন্তু কোনো ডেভেলপ (উন্নতি) হচ্ছে না। তখন বাচ্চাদের প্রশ্ন করি, কেন পড়া হচ্ছে না। তখন সবাই একসঙ্গে বলল মার দিতে। আমি বলছি মারা যাবে না। তারাই বলল কান ধরি। আমি কান ধরিয়ে বারান্দায় ১০ মিনিট রেখেছি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল কবির বলেন, ‘বুধবার তো বেশি রোদ ছিল না। বারান্দায় কিছু সময় শিক্ষার্থীদের দাঁড় করে রেখেছিলেন। উনি (সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন নাহার) ভুল স্বীকার করেছেন।’

এ প্রসঙ্গে পাটগ্রাম উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) আবুল হোসেন অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগ পাওয়া কথা জানিয়ে বলেন, ‘তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 www.khoj24bd.com bangla News web portal.
Theme Customized By BreakingNews